গল্পের সকল ঘটনা চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে কোন মিল থাকলে তা নিতান্তই কাকতালীয়।
চটপট শাওয়ার নিয়ে বের হতেই মায়ের গলা শুনতে পেল। খাবার খেতে ডাকছে। ঘরে গিয়ে কাপড় পরে নিল অনু, চুল আঁচড়ে ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ডাইনিং রুমে গেল। ওর বাবা, রণজীত রয়, আগেই বসে আছে, পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছেন। রান্নাঘর থেকে কাজের মেয়েটা খাবার নিয়ে আসছে, পেছন পেছন ওর মা, বড় একটা কাঁসার পাত্র নিয়ে আসছেন।
"তোর জন্য কাঁচা আটার রুটি আর দেশি মুরগীর ঝোল করেছি। জলদি খেয়ে নে। এই রূপা, কাকাকে খাবার বেড়ে দে।"
"তোর জন্য কাঁচা আটার রুটি আর দেশি মুরগীর ঝোল করেছি। জলদি খেয়ে নে। এই রূপা, কাকাকে খাবার বেড়ে দে।"
কাজের মেয়ে রণজীত বাবুর পাতে তরকারী বেড়ে দিচ্ছে, আর অনুর মা, মমতা দেবী, নাম যেমন, ঠিক তেমন যত্নে ছেলেকে খাইয়ে দিতে লাগলেন।
"ছেলে বেশ বড় হয়েছে, এখনও খাইয়ে দিতে হবে?" ভরাট গলায় জিজ্ঞেস করলেন অনুর বাবা।
"ছেলে বেশ বড় হয়েছে, এখনও খাইয়ে দিতে হবে?" ভরাট গলায় জিজ্ঞেস করলেন অনুর বাবা।
"একটাই ছেলে আমার, খাইয়ে দিলে ক্ষতি তো দেখছিনা, তাছাড়া তুমি সারাদিন অফিসে পড়ে থাকো, তা ওটা নিয়েই পড়ে থাকোনা, আমার ছেলের পিছনে লাগলে কেন?" অনুর মা কপাল কুঁচকে উত্তর দিলেন।
"আহা এখানে রাগের কি বললাম। যাইহোক, তোমার লেখাপড়ার কি খবর অনু?"
"আহা এখানে রাগের কি বললাম। যাইহোক, তোমার লেখাপড়ার কি খবর অনু?"
"ভালোই চলছে, এই সেমিস্টারে টপ করতে পারব কিনা জানিনা, তবে সমস্যা হবে না বোধহয়।"
"বেশ, I trust you. You are a smart boy, you can do it. By the way, you should eat more. You still look like a kid. Maybe start working out?"
"ওকে বাবা, আই উইল কীপ ইট ইন মাইন্ড।"
খাবার টেবিলে আর বেশি কথা হল না, কিছুটা খেয়ে উঠে দাঁড়ালো অনু, মা বাবাকে বিদায় জানিয়ে দরজার দিকে এগুলো, কাজের মেয়েটা ওর পিছু পিছু ব্যাগ নিয়ে আসছে।
"ওকে বাবা, আই উইল কীপ ইট ইন মাইন্ড।"
খাবার টেবিলে আর বেশি কথা হল না, কিছুটা খেয়ে উঠে দাঁড়ালো অনু, মা বাবাকে বিদায় জানিয়ে দরজার দিকে এগুলো, কাজের মেয়েটা ওর পিছু পিছু ব্যাগ নিয়ে আসছে।
"শোন, আমার কাপড়গুলো লন্ড্রিতে দিস, আর মাকে বলিস একটা ভাল বেডশীট দিতে", বলল অনু।
"ঠিক আছে দাদাভাই। আর কিছু করতে হবে?"
"বাথরুমের আয়নাটা ভাল করে সাফ করিস তো, আগের বার সাফ করা হয়নি"
"আচ্ছা।" বলেই কেমন যেন উশখুশ করতে লাগলো ছন্দা। "দাদাভাই, একটা কথা বলি?"
একটু আশ্চর্য হল অনু, সচরাচর মেয়েটা নিজ থেকে কিছু বলে না। "বল, কোন সমস্যা?"
"দাদাভাই, আমার ভাইটা ভর্তি পরীক্ষা দিবে, আপনের পুরান বইগুলা যদি একটু দিতেন, তাইলে ওইগুলা পড়তে পারতো।"
"ঠিকাছে, কিন্তু আমার বই তো ভর্তি পরীক্ষায় কাজে লাগবে না। আমি অন্য ব্যবস্থা করে দিবনে।"
"আচ্ছা দাদাভাই", খুশিমনে বলল রূপা।
দরজার সামনে আসতেই কলিংবেল বেজে উঠলো। দরজাটা খুলতেই একরকম হামলে পড়ল প্রিয়তা। হঠাৎ প্রিয়তার দানবীয় অবয়ব সামনে আসায় ভয় পেয়ে গেল অনু, পেছন থেকে কাজের মেয়েটাও ছোটখাটো একটা চীৎকার দিয়ে উঠলো।
"এই তোর মেসেজ দেওয়া? হারামী, আরেকটু হলে তো ক্লাস মিস করতাম।"
"এই তোর মেসেজ দেওয়া? হারামী, আরেকটু হলে তো ক্লাস মিস করতাম।"
প্রিয়তা কে আজ দারুণ লাগছে। ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি লম্বা এই মেয়েটাকে দেখলে যে কেউ তাকিয়ে থাকবে। সচরাচর এত লম্বা মেয়ে উপমহাদেশে দেখাই যায়না। আকারে বড়সড় হলেও নারীসুলভ শরীরটা ভরাট, শরীরের বাঁকে বাঁকে যেন নারীত্ব ঝরে পড়ছে। চওড়া কাঁধ থেকে নিচে আসা সরু কোমর, তারপর ভরাট নিতম্ব আর ভারী উরু যা প্রতিটি পদক্ষেপে দুলে ওঠে।। চেহারায় একটা আশ্চর্য মায়া আছে, শুধু দেখতেই ইচ্ছে করে। বড় বড় কাজল-কালো চোখ, পুরু ঠোঁট আর ঠোঁটের উপরে বাঁ পাশে ছোট্ট তিলটা দেখলেই মন টেনে নেয়। কোমর পর্যন্ত ঘন কালো চুল, চওড়া কোমর আর ভরাট শরীর নিয়ে যখন হেঁটে আসে, তখন আশেপাশের সব যেন ছোট হয়ে যায়।
"আরে সরি সরি। তাড়াহুরো করতে গিয়ে ভুলে গিয়েছিলাম" বলল, অনু।
"চল জলদি চল, তুলি দাঁড়িয়ে আছে। কিরে ছন্দা, কেমন আছিস?"
"জ্বী দিদিমনি ভালো। আপনি ভালো আছেন?" রূপা লজ্জা পেয়ে উত্তর দিল।
"হ্যাঁ ভালো। এরপর থেকে দাদা যাতে দেরি না করে দেখিস। গেলাম" বলেই হনহন করে হাঁটা দিল প্রিয়তা। অনু ও তার পিছু পিছু হাঁটা শুরু করল।
"একটু আস্তে হাঁটলেও তো পারিস।" অনুর গলায় হালকা অভিযোগ।
"হারামী একে লেট, তার উপর আবার ডায়লগ মারিস।" প্রিয়তার নির্বিকার উত্তর।
বাইরে প্রিয়তার ল্যান্ড রোভারটা দাঁড়িয়ে আছে, যেতেই ড্রাইভার দরজা খুলে দিলো।
শহরের ব্যস্ত রাস্তায় ট্রাফিক কেটে এগিয়ে চলছে গাড়ি। অনু আড়চোখে তাকিয়ে দেখছে প্রিয়তার দেহটা। টি শার্ট কোমরের কাছে খানিকটা উঠে গেছে, সোনালী চামড়া বেরিয়ে আছে সেখানে। অনু ভাবছে, ওখানে জিভ লাগালে কেমন স্বাদ লাগবে? সাদা টি শার্টের ভেতরে কালো ব্রাটা ফুটে আছে, বিশাল স্তন দুটো যেন এখনি ছিড়ে বেরিয়ে পড়বে। ক্লিভেজ গভীর গিরিখাদের মত হাতছানি দিচ্ছে। আচ্ছা, স্বপ্নে যেরকম দেখেছিল, প্রিয়তার বুক কি কাপড়ের আড়ালে ঠিক সেরকম? এসব সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে উত্তেজনাটা আবার ফিরে এল। আন্ডারওয়্যারের নিচে ওটা গুতিয়ে চলেছে, কোনমতে ব্যাগ দিয়ে চাপা দিল।
মিনিটে সাতেক পর তুলির বাড়ির সামনে এল গাড়ি, তুলি উঠে অনু আর প্রিয়তার মাঝে বসল।
তুলির বাবা বেশ বড় একটা বেসরকারি চাকরি করেন, অফিসের কাজে বাড়ির বাইরে থাকেন প্রায়শই। ওর বাবা মায়ের ডিভোর্স হয়েছে বছর পাচেক, মা নতুন বিয়ে করে নিয়েছে, তাই বাবার সাথেই থাকে। বেশ সাধাসিধে, একেবারে লাজুক আর চুপচাপ। গোল মুখটা মায়া ভরা, গোল চশমায় একদম পুতুলের মত দেখতে। ঠোঁটগুলো লাল টকটকে, দেখলে কামড়ে ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে হয়।আজ একটা নীল সালোয়ার কামিজ পরেছে, আর তাতেই ওর মেয়েলি বাঁকগুলো স্পস্ট ফুটে উঠেছে। উচ্চতায় ওদের তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে ছোটো, সবে ৫ ফুট। একটু গোলগাল শরীর। কোমড় একটু চওড়া, পেটের হালকা মেদ জামার উপর দিয়ে বোঝা যায়। স্তন দুটো বেশ বড়, আর ভরাট গোলগাল পাছা। তার সাথে মিলিয়ে বেশ চমৎকার উরু। অনেক ছেলেই ওর পেছনে ঘুরঘুর করে, অনেকে সুযোগ নিতে চায়, কিন্তু প্রিয়তার বাধা পেরিয়ে ফাজলামো করার সাহস বেশিরভাগের ই হয় না।
প্রিয়তা তুলিকে একরকম জাপটে ধরে বলল, "কিরে সুন্দরী, আজকে দেখি একেবারে রাজকুমারী সেজে আছিস।?" প্রিয়তার বড় বড় স্তনদুটো তুলির হাতে আর পিঠে চেপে বসেছে, বোঁটাগুলো অনুভব করতে পারছে তুলি। লজ্জায় তুলির গাল লাল হয়ে গেল।
"আরে নাহ, এমনি আজকে এই জামাটা পরতে ইচ্ছা করছিল তাই......"
"আরে নাহ, এমনি আজকে এই জামাটা পরতে ইচ্ছা করছিল তাই......"
"হেহেহে, আজকে তো তোর বয়ফ্রেন্ড কনফার্ম" প্রিয়তার গলায় দুস্টামির ভাব।
"তোর মত বডিগার্ড থাকলে আর বয়ফ্রেন্ড পাওয়া লাগবে না।" পাশ থেকে টিপ্পনি কেটে বলল অনু।
প্রিয়তা অভিমানের ভান করে বলল, "ঠিক আছে ওকে তোর গলায় ঝুলিয়ে দেই , তুইতো দেখতে খারাপ না, আর তুলিও তো কম সেক্সি না। তোরা আমে দুধে মিশে লদকা লদকি করবি, আর আমি আঁটি বাইরে গড়াগড়ি খাবো"।
প্রিয়তার হাতে একটা চাঁটি মারলো তুলি, "যাহ, খালি ফাজলামো করিস..."। তুলি লজ্জায় গুটিয়ে গিয়ে মাথা নিচু করল। তার গাল এখন টকটকে লাল।
গাড়ি সিগন্যালে দাঁড়িয়ে আছে, এমন সময় এক ফুলওয়ালা এল। প্রিয়তা একটা গোলাপ আর একটা বেলী ফুলের মালা কিনে নিল। তুলির দিকে ফিরে বেলী ফুলের মালাটা ওর রেশমী চুলে পরিয়ে দিল। আর গোলাপটা হাতে দিয়ে বলল, "কাউকে না পেলেও আমাকে তো পেয়েছিস......"
মুখ দিয়ে কোনো কথা বেরোচ্ছিল না তুলির। প্রিয়তা হো হো করে হেসে উঠে আবার তাকে জাপটে ধরল। আর অনু, হ্যাবলার মত হা করে ওদের কান্ডকারখানা দেখছে।
ইউনিভার্সিটির গেটে গাড়ি থামলে একে একে নামলো ওরা গাড়ি থেকে। তুলি নামার সময় টাস করে ওর পাছায় একটা চাপড় মারলো প্রিয়তা, "চিন্তা করিস না, এইরকম জিনিস খুব রেয়ার, হেব্বি ডিমান্ড আছে"।
"দয়া করে মুখের ভাষাটা একটু ঠিক কর ভাই, দোহাই লাগে। বলতে বলতে কাহিল হয়ে যাচ্ছি।", অনুর অসহায় অনুরোধ।
"ধুর বাল, তোর এই একই বালের প্যাঁচাল। বাদ দে তো, চল ভেতরে চল।"
প্রিয়তা হনহন করে হাঁটতে শুরু করল। তুলি লজ্জায় মাথা নিচু করে তাদের পিছু নিল। কয়েক পা এগিয়ে গিয়ে সে বলল, “তোমরা যাও... আমি ওয়াশরুম থেকে আসছি।”
চলবে.........
বিঃ দ্রঃ আগের পর্বে অনুর উচ্চতা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি থেকে ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি করা হয়েছে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন