গল্পের সকল ঘটনা চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে কোন মিল থাকলে তা নিতান্তই কাকতালীয়।
পর্দার ফাঁক গলে আসা ভোরের আলোতে চোখ খুললো অনুপম। বিছানা ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করছে না, তাই উঠতে গিয়েও বালিশটা নিয়ে আধশোয়া হয়ে রইল। শর্টস এর দিকে চোখ দিতেই ভেজা জায়গাটা দেখল, বেশ খানিকটা জায়গা নিয়ে ভিজেছে, বেডশীটেও একটা গোল ভেজা ছাপ। খানিকটা বিরক্তি নিয়েই একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো, ঘরের ছাদের দিকে তাকিয়ে স্বপ্নের কথাটা ভাবতে লাগলো। স্বপ্ন দেখেছে প্রিয়তা কে নিয়ে। প্রিয়তা ওর ঠোঁটে ঠোঁট রেখে কিস করছে, জিহবাটা পুরো অনুপমের মুখে ঢুকিয়ে দিয়েছে। প্রিয়তার বিশাল স্তনদুটো ওর লোমহীন বুকে সেঁটে রয়েছে। অনুভুতিগুলো যেন এখনও গায়ে লেগে আছে। অবশ্য এর আগেও ওকে নিয়ে এরকম স্বপ্ন দেখেছে, কিন্তু ওটা শুধু চুমুতেই ছিল। এবারের টা একটু অন্যরকম। স্বপ্নের শেষ অংশটা মাথায় ঘুরছে। প্রিয়তার নরম ঠোঁট, তার জিভ, বিশাল স্তন, সব ঠিক ছিল। কিন্তু হঠাৎ পিছন থেকে একটা মোটা, লোমশ হাত তার পাছার দুই দাবনা চেপে ধরল। শক্ত করে। আঙুলগুলো চামড়া ফাটিয়ে দিতে চাইছিল। তারপর একটা গরম, ভারী মুখ তার পুরো লিঙ্গটা একবারে গিলে নিল। গলা পর্যন্ত। চোষার শব্দ, জিভের চাপ, দাঁতের হালকা ঘষা, সব মিলে ঘুম ভেঙে গেল।
শর্টস এর ভেতর থেকে পুরুষাঙ্গ ঠেলে তাঁবু বানিয়ে রেখেছে। তার উপর দিয়েই হালকা করে হাত বুলিয়ে দিল, উত্তেজনাটা আরো বেড়ে গেল। মনের অজান্তেই হাত শর্টসের ভেতর ঢুকে যাচ্ছিল, এমন সময় দরজায় টোকা পড়ল। চট করে হাতটা বের করে পাতলা কম্বলটা গায়ের উপর টেনে দিল সে।
"অনু, উঠেছিস?" অনুপমের মা ডাকলেন।
"হ্যাঁ মা।"
"পুজো শেষ করে টেবিলে খাবার দিচ্ছি, ফ্রেশ হয়ে আয়।"
"আসছি, তুমি যাও"
মা চলে গেলে অনু উঠে বসল। ফোনটা হাতে নিতেই দেখল কয়েকটা প্রিয়তার মেসেজ। "উঠেছিস?", "ওঠ হারামী", "ঘরে এসে উঠিয়ে দিয়ে যাব নাকি", "নবাবজাদা, দয়া করে উঠুন" । অনু ফিরতি মেসেজ দিল।
"উঠেছি, আসতে হবে না -_-"
প্রিয়তা বলতে গেলে অনুর বেস্টফ্রেন্ড। হাইস্কুল থেকেই অনুর পেছনে লটকে রয়েছে। ওর গুন্ডামো স্বভাবটা অনুর খুব একটা পছন্দ নয়, তবে অনুর থেকে আকারে খানিকটা বড়সড় হওয়ায় মানিয়ে নেয়। অবশ্য অনুর সাথে বেশ নরমই বলতে হবে। ছেলেমেয়ে নির্বিযেশে সকলকে প্যাদানোর রেকর্ড করে ফেলেছে হাইস্কুল এ, অবশ্য তার কারণও বলতে গেলে অনুই। কিভাবে ওদের বন্ধুত্বের শুরু, কিছূটা মনে আছে অনুর, কিন্তু সেই হাইস্কুল থেকে শুরু হওয়া বন্ধুত্বে ভাঁটা পড়েনি একটুও।
সবে এইটে উঠেছে নতুন এসেছে স্কুলে তখন, ব্রেক টাইমে তিন সিনিয়র অনুকে চেপে ধরেছিল "টিফিন" কিনে দিতে। ভয়ে ভয়ে অনু মানিব্যাগটা বের করছিল, এমন সময় প্রিয়তা বিশাল এক লাঠি নিয়ে হাজির। "এই চুদির ভাই, ছাড় ওকে!" রীতিমত হুমকি দিয়েছিল। "কেন, তোর নাগর লাগে নাকি?" একজন বলে উঠতেই সপাং করে হাতের লাঠি চালিয়ে দিয়েছিল প্রিয়তা।
"বাবার ক্ষমতার গরম দেখাচ্ছিস?" ভয়ে ভয়ে বলেছিল সেই ছেলেটি।
"ধুর বাল, তোদের সাইজ করতে বাপকে লাগবে কেন? যাহ সর এখান থেকে, লোকে আমার হাতে ক্যালানি খেতে দেখলে মান-ইজ্জত খোয়াবি।"
তার পরেই কিভাবে কিভাবে যেন বন্ধুত্ব। খানদানি পরিবারের মেয়ে প্রিয়তা, বাবা বিশাল ব্যবসায়ী, এলাকায় মারাত্বক দাপট। দুই ভাইয়ের একজন বাবার ব্যবসায় দেখাশোনা শুরু করেছে, আরেকজন দেশের বাইরে পড়াশোনায়। একমাত্র মেয়ে হওয়ায় সবার আদর পেয়ে একটু বিগড়ে গেছে আরকি।
এসব সাতপাঁচ ভাবতেই আবার ফোনটা বেজে উঠলো। প্রিয়তার মেসেজ।
"রেডি হয়ে মেসেজ দিস, বেশি সময় নেই। তুই মেসেজ দিলে আমি বের হব"
"ওকে"
তোয়ালে নিয়ে বাথরুমে ঢুকলো অনু। অ্য্যপার্টমেন্টে অনুর ঘরগুলো ওর পছন্দমত ডিজাইন করিয়েছে ওর বাবা, বাথরুমটাও বাদ যায়নি। একপাশে একটা বিশাল বড় আয়না, ইম্পোর্টেড ইতালিয়ান লাক্সারি বাথটাব, দারুন একটা শাওয়ার।
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কাপড় ছেড়ে নিল, নিজের শরীরের দিকে তাকাল। ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি লম্বা, ফর্সা শরীর, একেবারে মোমে গড়া দুধে আলতা বরণ যাকে বলে। যদিও শুকনো নয়, কিন্তু ফর্সা হওয়ায় চিকন মনে হয়। লোমহীন শরীর, হঠাৎ করে কেউ দেখলে ভাববে হয়তো সবে কৈশোরে পা দিয়েছে। সরু কোমড়, বুক সামান্য উঁচু আর নরম, নিপল দুটো ছোট্ট গোলাপি, একটু ফোলা। পা গুলো সরু হলেও উরুদুটো ভারি, পাছাটা গোল আর ভরাট। সৃষ্টিকর্তা যেন কোন রূপসী মেয়ের শরীরকে ছেলে বানিয়ে দিয়েছেন। লিঙ্গের গোড়ায় হালকা চর্বি, চুলগুলো সুন্দর করে ট্রিম করা। হালকা একটা সোনালি আভা আছে লিঙ্গের চামড়ায়, নিচে অন্ডথলিটা একটু ছোট, বাদামি রঙ এর। ফোরস্কিনটা নুয়ে যাওয়া লিঙ্গের সামনে কুঁচকে আছে, উত্তেজনাটা না থাকলেও বের হওয়া রসে ভিজে রয়েছে। বেশি বড় নয়, কড়ে আঙ্গুলের সমান হবে, আর বুড়ো আঙ্গুলের মত মোটা।
স্বপ্নের চুষে দেওয়ার কথাটা মনে পড়তেই একটু কেঁপে উঠলো। পুরুষাঙ্গ টা যেন জীবন ফিরে পেয়েছে। নিচের দিকে সামান্য বাঁকা হয়ে শক্ত হয়ে উঠছে, প্রতিটা হৃদস্পন্দনে হালকা লাফাচ্ছে। ঠোঁটে আঙ্গুল বুলিয়ে দিল আস্তে করে। সচরাচর ফিলিংস এ গা ভাসিয়ে দেয় না অনু, হাত মারার অভ্যেস নেই, কিন্তু আজ শরীর বাধা মানছে না। চোখ বন্ধ করে প্রিয়তার কথা ভাবার চেষ্টা করল, কিন্তু শুধু সেই জোরালো হাতে পাছা চেপে গলার ভেতর ঢুকিয়ে নেয়ার অনুভূতিটা ভেসে আসছে। পেনিসটা সাপের ফনার মত মুখিয়ে আছে, এখন প্রায় ৫ ইঞ্চি হয়ে গেছে, মোটায় ২ আংগুল সমান হবে। মাথার উপর চামড়াটা সামান্য সরে গোলাপি মুন্ডি বেরিয়ে আছে, ফুটো থেকে দরদর করে রস পড়ছে। নাহ, আর থাকা যাচ্ছে না। আঙুলে একটু থুতু নিয়ে নিপল নিয়ে খেলা করতে লাগলো, আরেক হাতে ফোরস্কিন টেনে নামিয়ে নিলো। গোলাপি মুন্ডিটা এখন পুরো বেরিয়ে আছে, রসে ভিজে চকচক করছে। আরো কয়েক ফোটা রস বেরিয়ে ফ্লোরে পড়ল। বুড়ো আঙুল আর তর্জনীর মাঝে ফোরস্কিন টা ধরে আগে পিছে করতে লাগলো, আরেক হাতে বুক কচলাতে লাগলো, সেই সবল হাতটার অনুকরণে পিষে ফেলতে চাইছে। নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছে, উত্তেজনায় টানটান হয়ে আছে ওর নরম দেহটা। রসে হাত মাখামাখি হয়ে গেছে, আর থাকতে না পেরে পুরো ধোনটা মুঠিতে নিয়ে আগা থেকে গোড়া চালাতে লাগলো। চোখে ভাসতে লাগলো সেই পুরু, পুরুষালী আবছা চেহারাটা, তার চোখের দিকে তাকিয়ে, পুরোটা মুখে পুরে চুষছে। অজান্তেই অস্পষ্ট গোঙ্গানি বেরিয়ে এল। "আহঃ... উম......", চেষ্টা করেও আওয়াজ থামাতে পারলো না। হাঁটু থেকে যেন কেউ সব শক্তি শুষে নিয়েছে, এক হাত দিয়ে আয়নায় ভর দিয়ে কাঁপতে লাগলো অনু। মিনিট তিনেক পর হঠাৎ শরীর টান হয়ে গেল।পা দুটো অসহায়ভাবে কেঁপে উঠলো, হাঁটু যেন আর ভর দিতে পারছে না। মুঠির ভেতর ধোনটা প্রতি স্পন্দনে ফুলে উঠছে, রসে একদম ভিজে একাকার। "আহহহ্... ফাক..." অজান্তেই মুখ থেকে বেরিয়ে গেল জোরালো গোঙানি। পায়ের আঙ্গুলে ভর করে দাঁড়িয়ে শরীর ধনুকের মত বেঁকে গেছে, চরম উত্তেজনায় আর ধরে রাখতে পারলো না অনু। অনেকদিনের জমে থাকা বীর্য বাঁধ ভেঙ্গে ছিটকে বেরিয়ে এল। প্রথম ঝটকায় একগাদা ঘন আঠালো বীর্য ছিটকে পড়ল দামী আয়নাটায়, পরের ঝটকায় আরো বেশ খানিকটা। দেহের সব কামনা নিংড়ে বেরিয়ে আসছে, প্রতিটা কাঁপুনিতে ছলকে পড়ছে সাদা তরল। এখন আর অতটা ঘন নেই, পাতলা হয়ে এসেছে, কিন্তু থামার নাম নেই। টাইলস করা মেঝেতে অনেকটা জায়গা নিয়ে ছড়িয়ে গেছে। আরো চার পাঁচটে ঝাকুনি দিয়ে গুঙ্গিয়ে উঠলো অনু, আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলোনা, সেখানেই বসে পড়ল। বড় বড় করে নিঃশ্বাস নিচ্ছে, চোখে অন্ধকার দেখছে। আয়নায় গাঢ় বীর্য গড়িয়ে পড়ছে, মেঝেতে পড়ে থাকা তরলে উরু, পাছা মাখামাখি হয়ে একাকার। পুরো রুম জুড়ে একটা আঁশটে, নোনতা মিস্টি গন্ধ ছড়িয়ে আছে। অনুর বীর্যের গন্ধ। গন্ধটা অনুকে একটা নেশার ভাব দিচ্ছে।
মিনিটখানেক পর হুঁশ ফিরল অনুর, কিছুক্ষন আগের ঠাঁটিয়ে থাকা পুরুষাঙ্গ নরম হয়ে এসে গুটিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এখন অল্প অল্প করে রস উগলিয়ে যাচ্ছে। পাতলা পিচ্ছিল রস, উরুর ভাঁজ দিয়ে গড়িয়ে পাছার ফুটোয় গিয়ে লাগছে। অনু উঠে পেপার টাওয়েল নিয়ে শরীর মুছে নিল, আরো কয়েকটা নিয়ে আয়না আর ফ্লোর মুছল। আয়নাটা পুরো পরিস্কার হল না, এখানে ওখানে ছোপ ছোপ হয়ে ঘোলাটে হয়ে রইল। দুবার চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দিল অনু, এখন এসব করার সময় নেই। কোন রকম সাফ করে, শাওয়ার নিতে গেল। ঠান্ডা পানি শরীরে পরতেই ক্লান্তি দূর হয়ে গেল। অনু চোখ বন্ধ করে শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে রইল কিছুক্ষণ।উরু আর পাছার খাঁজে লেগে থাকা কামরস রগড়ে পরিস্কার করে নিল। মাথাটা একদম হালকা হয়ে আছে, মন একদম শান্ত.........
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন